A Simple Key For মাশরুম চাষ পদ্ধতি Unveiled
অক্সিজেন এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের ভাল যত্ন নিন
মাশরুম চাষ করতে কোনো আবাদি জমির প্রয়োজন হয়না। অর্থাৎ যাদের কোনো আবাদি জমি নেই তারা তাদের বাড়ির পাশের অব্যবহৃত জায়গায় কিংবা ঘরের যেকোনো একপাশের বারান্দা ব্যবহার করে মাশরুম উৎপাদন করতে পারেন। মাশরুমের বীজ উৎপাদন করতে আপনার যেসব কাঁচামালের প্রয়োজন হবে যেমনঃ খড়, কাঠের গুঁড়া, কাগজ, গমের ভুসি ইত্যাদি এবং এসব কাঁচামাল খুবই সস্তা ও সহজলভ্য। তাই মাশরুম চাষ পদ্ধতি জানলে আপনেও এটি চাষ করে অনেক লাভবান হতে পারেন।
মাশরুম উচ্চ রক্তচাপ ও বহুমুত্র রোগীদের জন্য উপকারী।
২ কেজি পরিমাণ ধানের পরিষ্কার ও শুকনো খড় নিতে হবে। পরে খড়গুলোকে ১ ইঞ্চি করে মেপে নিয়ে কেটে টুকরা করতে হবে।
এগ্রোবাংলা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
অয়েস্টার মাশরুম চাষের জন্য মূলত তিন ধরনের উপকরণ দরকার। স্পন অর্থাৎ মাশরুমের বীজ, খড় এবং পলিথিনের ব্যাগ। এই তিনটি উপকরণ মজুদ থাকলেই মাশরুমের চাষ অনেকাংশে সহজ হয়ে যায়।
২/৩ দিন পর ব্যাগের কাটা অংশ দিয়ে সাদা পিন সদৃশ অংশ দেখা যায়। আরো ২/৩ দিন পর মাশরুম বড় হলে সংগ্রহ করতে হবে।
মাশরুম উৎপাদন খরচ খুবই কম, ফলে লাভ বেশি।
▶️ ডাউনলোডঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান pdf
মাশরুম সংগ্রহ >> মাশরুম বেডে বীজ বপনের ১০-১৫ দিনের মধ্যে আলপিনের মাথার আকারে মাশরুম গজানোর লক্ষণ দেখা যায়। মাত্র ২ দিনের মধ্যে এ অবস্থা পেরিয়ে মাশরুম click here দেশীয় মুরগির ডিমের আকার ধারণ করে। এ অবস্থা মাশরুম সংগ্রহের উপযুক্ত সময়।
এবার চাষঘরে কাঠের ব্যাক বা বাঁশের মাচায় পরিমিত বিছিয়ে ব্যাগগুলো তার ওপর সারিবদ্ধভাবে রাখতে হবে।
বাড়তি আয়ের স্বপ্ন লালমনিরহাটের মেহেদীর
২. মাশরুমে চর্বি ও শর্করা কম এবং আঁশ বেশি থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ খাবার।
নিয়মিত মাশরুম থেকে শারিরীক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধি হয়। রক্ত সঞ্চালণ বৃদ্ধি পায় এবং সর্দি, কাশি দূর হয়।